সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি
স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
_copy7.webp)

রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা ক্লিনিকে যারা হামলা চালিয়েছিল তারাই এখন এসে পরিষ্কার করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, ‘প্রথমে সর্প হয়ে দংশন করো, পরে ওঝা হয়ে ঝাড়ো- এমন কার্যক্রম আমরা প্রত্যক্ষ করলাম। এখানে যারা দখল করেছিল, তারাই এসে এখন পরিষ্কার করছে।’
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন আসিফ মাহমুদ।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘গতকাল বেলা ১১টার দিকে এখানে এসেছিলাম এবং যেই দখলদারদের সাইনবোর্ড ছিল, সেটা উৎখাত করেছি। আমরা দেখেছি যে পরবর্তীতে সরকারের বিভিন্ন অংশের টনক নড়েছে।’
রাড্ডা ক্লিনিকে সরকারি দলের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার সমালোচনা করে এনসিপির মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা সাধুবাদ জানাতে পারছি না। কারণ দখল শুধু রাড্ডায় হয়নি, হাজার জায়গায় হয়েছে। মোহাম্মদপুরেও হয়েছে। সবগুলো যদি আল্লাহর ওয়াস্তে ছেড়ে দেন, তাহলে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেস ব্রিফিং করে আপনাদের ধন্যবাদ জানাবো।’
ভবিষ্যতে রাড্ডা ক্লিনিক যাতে আবার কোনোভাবে দখল না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটা হচ্ছে লাঠিসোঁটা, হেলমেট নিয়ে দখল, আরেকটা হচ্ছে হোয়াইট কলার দখল কলমের খোঁচায় দখল। এই জায়গাটা যাতে আবার কলমের খোঁচায় দখল না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।’
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করবো, এখানে যদি ১০ তলা ভবনও হয়, পুরোটাই রাড্ডা ক্লিনিককে দিতে হবে। এখানে দুই ফ্লোর দিয়ে বাকিটা মার্কেট নিয়ে ভাগ-বাটোয়ারা চলবে না।’
রাড্ডা ক্লিনিককে জনগণের প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই জায়গাটা জনগণ উদ্ধার করেছে। গণমাধ্যমের ভূমিকা ও সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের কারণে উদ্ধার হয়েছে। এই একটা জায়গা রেজিস্ট্যান্সের প্রতীক হিসেবে থাকলো।’
তিনি আরও বলেন, রাড্ডা ক্লিনিকের ক্ষয়ক্ষতির যথাযথ মূল্যায়ন করে সরকারি উদ্যোগে সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ করতে হবে। চুরি হয়ে যাওয়া চিকিৎসা সরঞ্জাম ও টিকার যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
রাজনীতি নিয়ে আরও পড়ুন








.webp&w=2048&q=75)