home icon
Login

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store


অবরুদ্ধ গাজায় ২৫০ ফিলিস্তিনি দম্পতির গণবিবাহ

মো. নূর নবী শেখ
আন্তর্জাতিক ডেস্ককলম২৪.কম

আপডেট: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ১৮:১৯

Facebook
Twitter

অবরুদ্ধ গাজায় ২৫০ ফিলিস্তিনি দম্পতির গণবিবাহ

অবরুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ফিলিস্তিনের গাজাবাসীর পক্ষে নিজের সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা ড. আনোয়ার গারগাশ। তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক অগ্রাধিকার পরিবর্তিত হলেও গাজায় আমিরাতের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এর আগে গতকাল গাজায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘অপারেশন শিভালরাস নাইট ৩’-এর আওতায় একটি গণবিবাহের আয়োজন করা হয়। এই আয়োজনে ৫০০ বর-কনে ও তাদের পরিবার অংশ নেন। অত্যন্ত কঠিন মানবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাওয়া ফিলিস্তিনিদের মনে আশার আলো জাগানোর লক্ষ্যেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

শনিবার (৭ নভেম্বর) এক্সে দেওয়া পোস্টে গারগাশ জানান, বিশ্বের মনোযোগ অন্যান্য ঘটনা বা সংকটের দিকে সরে গেলেও আবুধাবি গাজা ও সেখানকার জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদানকে অগ্রাধিকার দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। তিনি আরও বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবিক সহায়তা কেবল মানুষের কষ্ট লাঘব করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি মানুষের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনা এবং সুন্দর ভবিষ্যতের নতুন আশা জাগানোর একটি মাধ্যম।

২৫০ দম্পতির জন্য গণবিবাহের আয়োজন
‘অপারেশন গ্যালান্ট নাইট ৩’-এর আওতায় ‘থওব আল ফারাহ ৩’ (আনন্দের বিয়ের পোশাক ৩) কর্মসূচির মাধ্যমে গাজায় ২৫০ দম্পতির জন্য একটি গণবিবাহের আয়োজন করা হয়। এই আয়োজনে নবদম্পতি, তাদের পরিবার এবং হাজার হাজার স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন।

গাজার সমুদ্রতীরবর্তী মেরিন ক্লাব প্রাঙ্গণে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সুসজ্জিত গাড়িতে করে দম্পতিরা পৌঁছালে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উল্লাস ও অভিনন্দন জানান। এই আয়োজন নবদম্পতিদের বিয়ের আনন্দ উদযাপনের সুযোগ করে দেয় এবং তাদের জীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর পথ প্রশস্ত করে। অবরুদ্ধ গাজার কঠিন পরিস্থিতির মাঝে এটি ছিল এক আনন্দময় মুহূর্ত।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘ওয়াম’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটি ‘অপারেশন গ্যালান্ট নাইট ৩’-এর তিন বছর পূর্তি উদযাপন করেছে। গাজার ফিলিস্তিনিদের মানবিক সহায়তা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, খাদ্য ও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর এই কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

শুরুর পর থেকে এই অভিযানের মাধ্যমে ১ লাখ ৩৬ হাজার টনেরও বেশি ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হয়েছে, যার মূল্য ৪ দশমিক ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। এটি গাজা উপত্যকায় প্রাপ্ত মোট আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার প্রায় ৪৬ শতাংশ। এই অভিযানের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৪০টি কমিউনিটি কিচেন বা গণ-রান্নাঘর রয়েছে, যেখান থেকে বছরে প্রায় ৮০ লাখ বেলা খাবার সরবরাহ করা হয়। এছাড়া প্রায় ২৭টি বেকারিকেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যেগুলোর সম্মিলিত সক্ষমতা বছরে ১৫ লাখ বান্ডেল রুটি উৎপাদনের সমান।

এই কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন মৌসুমী ত্রাণ প্রকল্পও পরিচালিত হয়; এর মধ্যে রয়েছে গাজার দশ লাখ মানুষকে লক্ষ্য করে নেওয়া শীতকালীন পোশাক বিতরণ কর্মসূচি। এই অভিযানের মাধ্যমে শিশু, নারী, পুরুষ এবং বয়োজ্যেষ্ঠ বাসিন্দাদের জন্য পোশাক, কম্বল ও উষ্ণতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হয়।

সূত্র: গাল্ফ নিউজ,খালিজ টাইমস।



অনুসরণ করুন

logologologologologo

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি

স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।