_copy7.webp)
_copy1.webp&w=2048&q=75)
কুমিল্লা–৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, ‘৩ লাখ চাকরিপ্রার্থীর ভোগান্তির দায় কে নেবে’?
শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে যুব উন্নয়ন অধিদফতরের ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ পদের নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হয়। তবে প্রশ্নফাঁসের সত্যতা মেলায় পরীক্ষাটি তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল ঘোষণা করা হয়। এর পরপরই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও টেকনিক্যাল মোড়সহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন পরীক্ষার্থীরা।
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার, বিচার এবং ব্যর্থতার দায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছেন ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা। অন্যদিকে, তিন লাখ চাকরিপ্রার্থীর চরম আর্থিক ক্ষতি, ভোগান্তি ও সরকারের জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দুপুর ১টার দিকে পোস্টে আবদুল্লাহ লেখেন, ‘আজ যুব উন্নয়ন অধিদফতরের পরীক্ষা ছিল। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ৩ লাখ বেকার প্রার্থী ঢাকায় এসেছিলেন। কেউ টিউশনির টাকা জমিয়ে, কেউ ধার-দেনা করে এসেছিলেন মেধা দিয়ে একটি চাকরি পাওয়ার আশায়। অথচ গতকাল রাত থেকেই ফেসবুকে প্রশ্নপত্র ঘুরছিল। আর আজ তিন লাখ পরীক্ষার্থী যখন ১০০টি কেন্দ্রে প্রবেশ করলেন, ঠিক ৫ মিনিট আগে ঘোষণা দেওয়া হলো—প্রশ্নফাঁসের সত্যতা পাওয়ায় পরীক্ষা বাতিল!’
পুরো ঘটনাকে ‘নির্মম রসিকতা’ আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘এই ৩ লাখ তরুণকে যে ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলা হলো, তার দায় কে নেবে? পুনরায় পরীক্ষার আয়োজনে সরকারের দ্বিগুণ অর্থ খরচ হবে, যা জনগণের টাকা। এই জবাবদিহি কে করবে? আজ এই তরুণরা চরম হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। কিছুদিন পর আবার ধার-দেনা করে ঢাকায় আসতে হবে পরীক্ষা দিতে। কীসের আশায়? আবারও প্রশ্নফাঁসের আতঙ্ক নিয়ে?’
নিয়োগ ব্যবস্থার বিশৃঙ্খলা নিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘বছরের পর বছর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নেই। আর যখন একটা পরীক্ষা হয়, সেখানে ভর করে প্রশ্নফাঁস সিন্ডিকেট। বেকারদের পকেটের টাকা ও চোখের জল নিয়ে যে সিন্ডিকেট হোলি খেলছে, ভুখা তরুণরা তাদের ছেড়ে দেবে না। মাত্র ২০০টির বেশি পদের বিপরীতে প্রায় ৩ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছিলেন—যা দেশের বিপুল বেকারত্বের চিত্র তুলে ধরে। কর্মসংস্থানের নামে মিথ্যা আশ্বাস শেষে এখন পদ বিক্রি হচ্ছে, সিন্ডিকেটের নৈরাজ্য থামানো যাচ্ছে না।’
সবশেষে হাসনাত আবদুল্লাহ দাবি জানান, প্রশ্নফাঁসে জড়িত আমলা, সরকারি ব্যক্তি বা দলীয় লোক— সবাইকে চিহ্নিত করে ফৌজদারি মামলায় গ্রেফতার করতে হবে। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে ঘটনার দায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে সিন্ডিকেট উৎখাত করতে হবে, অন্যথায় পদত্যাগ করতে হবে।
রাজনীতি নিয়ে আরও পড়ুন
.webp&w=2048&q=75)
_copy1.webp&w=2048&q=75)
.webp&w=2048&q=75)
.webp&w=2048&q=75)
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি
স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।