home icon
Login

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store


বাংলা‌দেশ‌কে দাতা-গ্রহীতার দৃষ্টিকোণ থেকে দে‌খে না ইইউ: মাইকেল মিলার

মো. নূর নবী শেখ
ডেস্ক রিপোর্টকলম২৪.কম

আপডেট: ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:২৬

Facebook
Twitter

বাংলা‌দেশ‌কে দাতা-গ্রহীতার দৃষ্টিকোণ থেকে দে‌খে না ইইউ: মাইকেল মিলার

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার ব‌লে‌ছেন, বাংলা‌দে‌শের সংবিধানে সংস্কারের যে গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরু হয়েছে সে‌টি এখনো শেষ হয়নি। এ‌টি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া দরকার। আর এর জন‌্য রাজনীতিতে বৃহত্তর ঐকমত্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর দ্বিতীয় দি‌নের কর্ম অ‌ধি‌বেশ‌নে দেওয়া বক্ত‌ব্যে এসব কথা ব‌লেন তি‌নি।

মাইকেল মিলার ব‌লেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বঙ্গোপসাগরে এবং বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলা‌দে‌শের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি বিশ্বের অন্যতম গতিশীল অর্থনীতির একটি দেশ। সম্ভবত ২০৩০ সালের মধ্যে শীর্ষ ৩০-এ স্থান করে নেবে। দেশটি তার উন্নয়ন অভিযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে এসে পৌঁছেছে, যার মধ্যে রয়েছে এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) তালিকা থেকে উত্তরণ এবং একই সঙ্গে রাজনৈতিক রূপান্তর পরিচালনা, জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনরুজ্জীবন, অর্থনৈতিক চাপ, জলবায়ুগত ঝুঁকি এবং অন্তত পক্ষে বলতে গেলে একটি জটিল বাহ্যিক পরিবেশের মোকাবিলা করা।

ইইউর রাষ্ট্রদূত ব‌লেন, এই পটভূমিতে, আমরা বাংলাদেশকে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের অংশীদার হিসেবে দেখছি, আর দাতা ও গ্রহীতার দৃষ্টিকোণ থেকে নয়। যদিও আমাদের অস্ত্র ছাড়া সবকিছু একতরফা বাণিজ্য অগ্রাধিকার ব্যবস্থার অভাবনীয় সাফল্য রয়েছে, যা বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে গতিশীল রাখতে সহায়তা করেছে।

মাই‌কেল মিলার ব‌লেন, দাতা-গ্রহীতার লেন্স থেকে বেরিয়ে এসে আমরা এখন উচ্চাকাঙ্ক্ষার এক ভিন্ন মাত্রা নির্ধারণ করতে চাচ্ছি। এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে মসৃণ ও সফল উত্তরণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের স‌ঙ্গে কাজ করা এবং একটি ভবিষ্যৎ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) সম্ভাবনা যাচাই করা। এখনো উত্তরণ সম্পন্ন করেনি এমন একটি দেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই ধরনের প্রস্তাব এবারই প্রথম।

তি‌নি ব‌লেন, আমাদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাংলা‌দে‌শে সমান সুযোগের কথা বিবেচনা কর‌তে হ‌বে। বাংলাদেশকে যদি বাহ্যিক চাপ মোকাবিলা করতে হয়– ভূ-রাজনৈতিক ও ভূ-অর্থনৈতিক চাপ, জলবায়ুগত চাপ, সামাজিক চাপ, প্রযুক্তিগত চাপ তবে বাংলাদেশের প্রয়োজন হবে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি, স্বাধীন তদারকি ব্যবস্থা এবং অনুমানযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া।

ইইউর রাষ্ট্রদূত জানান, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার মধ্য বাংলা‌দেশ‌কে এগিয়ে নিতে, আধুনিকায়ন করতে এবং উন্মুক্ত, সার্বভৌম, স্থিতিস্থাপক ও সংযুক্ত থাকতে সাহায্য করার জন্য ইইউ বি‌ভিন্ন প্রস্তাব দি‌য়ে‌ছে।

গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) তিন দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে।



অনুসরণ করুন

logologologologologo

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি

স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।